রাজশাহীর বাঘায় পদ্মা নদীর চরে গুলির ঘটনায় মিনারুল প্রামাণিক (৩২) নামে এক মাছ শিকারি আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার খানপুর নিচপাড়া এলাকার রাজুর ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
মিনারুল খানপুর নিচপাড়ার মৃত জামাত প্রামাণিকের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মাছ ধরার জন্য রাজুর ঘাট এলাকায় গেলে সেখানে গুলির ঘটনা ঘটে। এতে মিনারুল আহত হন। স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, ঘটনার সময় তাঁরা গুলির শব্দ শুনেছেন। তবে কে বা কারা গুলি করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের কেউ কেউ জানান, ঘটনার সময় ঘাট এলাকায় দুটি পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছিল। পরে ঘাটে থাকা একটি স্পিডবোট নিয়ে যাওয়ার কথাও স্থানীয়ভাবে বলা হচ্ছে। তবে নৌকাটি কার এবং কারা সেটি নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সঙ্গে কোনো পক্ষের সম্পৃক্ততার দাবিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের ভাষ্য, মিনারুলের পিঠে গুলির আঘাত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁকে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। তবে রামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সে খোঁজ নিয়ে তাঁর ভর্তি হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। কনস্টেবল রাব্বি বলেন, গুলিবিদ্ধ একজনের কথা তাঁরা শুনেছেন; তবে হাসপাতালে এমন কেউ ভর্তি হয়েছেন,এমন তথ্য তাঁদের কাছে নেই।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার খানপুর নিচপাড়া এলাকার রাজুর ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
মিনারুল খানপুর নিচপাড়ার মৃত জামাত প্রামাণিকের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মাছ ধরার জন্য রাজুর ঘাট এলাকায় গেলে সেখানে গুলির ঘটনা ঘটে। এতে মিনারুল আহত হন। স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, ঘটনার সময় তাঁরা গুলির শব্দ শুনেছেন। তবে কে বা কারা গুলি করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের কেউ কেউ জানান, ঘটনার সময় ঘাট এলাকায় দুটি পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছিল। পরে ঘাটে থাকা একটি স্পিডবোট নিয়ে যাওয়ার কথাও স্থানীয়ভাবে বলা হচ্ছে। তবে নৌকাটি কার এবং কারা সেটি নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সঙ্গে কোনো পক্ষের সম্পৃক্ততার দাবিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের ভাষ্য, মিনারুলের পিঠে গুলির আঘাত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁকে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। তবে রামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সে খোঁজ নিয়ে তাঁর ভর্তি হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। কনস্টেবল রাব্বি বলেন, গুলিবিদ্ধ একজনের কথা তাঁরা শুনেছেন; তবে হাসপাতালে এমন কেউ ভর্তি হয়েছেন,এমন তথ্য তাঁদের কাছে নেই।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধি :